1. harezalbaki@gmail.com : Harez :
  2. khondakar.mithu@gmail.com : Shakil Ahmed : Shakil Ahmed
  3. focusbd.info@gmail.com : Mithu :
বৃহস্পতিবার, ১০ জুন ২০২১, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন

প্রায় দ্বিগুণ উন্নয়ন বেড়েছে দেশের কৃষি উৎপাদনে

প্রতিবেদক
  • সংস্করণ : শনিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২৯ বার দেখা হয়েছে

কৃষি দেশের অর্থনীতির অন্যতম মেরুদন্ড । মোট দেশজ উৎপাদন তথা জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৬ শতাংশ

কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকের কল্যাণকে সর্বোচ্চ বিবেচনায় নিয়ে রূপকল্প ২০২১ এবং ২০৪১ এর আলোকে জাতীয় কৃষিনীতি, ৭ম পঞ্চম বার্ষিকী পরিকল্পনা, টেকসই অভীষ্ট, ডেল্টাপ্লান ২১০০ এবং অন্যান্য পরিকল্পণা দলিলের আলোকে সময়াবদ্ধ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কৃষিক্ষেত্রে সময় উপযোগি পদক্ষেপে খোরপোষের কৃষি বাণিজ্যিক কৃষিতে বদলে যাচ্ছে। দেশে কর্মসংস্থান সম্প্রসারিত হচ্ছে। খাদ্যশস্য উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের স্থান দশম। অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে দেশের কৃষি, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

কৃষি তথ্য সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ধারাবহিকতায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে দানাদার খাদ্যশস্যের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৪১৫.৭৭ লাখ মেট্রিক টন। উৎপাদন হয় ৪৫৩.৪৪ টন। ২০০৬ সালে দানাদার খাদ্যশস্যের উৎপাদন ছিলো ২৬১.৩৩ লাখ মেট্রিক টন। এক ও দুই ফসলি জমি অঞ্চল বিশেষ প্রায় ৪ ফসলি জমিতে পরিণত করা হয়েছে। দেশে বর্তমানে ফসলের নিবিড়তা ২১৬%। ২০০৬ সালে দেশে ফসলের নিবিড়তা ছিলো ১৮০%। ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয়। লবণাক্ততা, খরা, জলমগ্নতা সহনশীল ও জিঙ্কসমৃদ্ধ ধানসহ এ যাবত ধানের ১৩৪টি উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। এতে ধান উৎপাদন বাড়ছে। নিবিড় সবজি চাষের মাধ্যমে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৫৪ হাজার মেট্রিক টন সবজি উৎপাদন করে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১ কোটি ৮৪ লাখ ৪৭ হাজার মেট্রিক টন সবজি উৎপাদন হয়। ২০০৬ সালে দেশে শাকসবজির উৎপাদন ছিলো ২০ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন। আম উৎপাদনে সপ্তম। দেশে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আম উৎপাদন হয় ২.২ মিলিয়ন মেট্রিক টন।

২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন ফসলের ৬৩১টি উচ্চফলনশীল নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করেছে এবং ৯৪০টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন হয়েছে। কৃষি ক্ষেত্রে অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার নিয়মিত দেওয়ার মাধ্যমে কৃষি ও কৃষি সংশ্লিষ্টদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। ভাসমান বেডে চাষাবাদ প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহার করে সবজি ও মসলা উৎপাদন করা হচ্ছে। এ জন্য জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা ২০১৫ সালে কৃষিতে বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য স্বীকৃতি দেয়। শেখ হাসিনার সরকার সার, ডিজেল ও বিদ্যুতসহ বিভিন্ন খাতে আর্থিক  সহযোগিতার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ে। ২০০৮-২০০৯ অর্থবছরে থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছর পর্যন্ত মোট ৮১ হাজার ১৪০ কোটি টাকার ভতুর্কি দেওয়া হয়। বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার ২০০৮-২০০৯ অর্থবছর থেকে প্রণোদনা বা কৃষি পুনর্বাসন চালু করেছে। এ যাবত এ কর্মসূচির মাধ্যমে ১০৪২ কোটি ৪৭ লাখ ৩৮ হাজার টাকা দিয়েছে। এতে ৯৮ লাখ ২৪ হাজার ৯৬৪ জন কৃষক উপকৃত হয়েছে।

প্রকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া এবং বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন বাড়াতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের কৃষি প্রণোদনা ও পুনর্বাসন বাবদ ১০৪ কোটি ৬৮ হাজার টাকা ব্যয়ে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। উৎপাদনমুখি কৃষিবান্ধব সরকার নানাবিধ সহযোগিতা দেওয়ার লক্ষে ২ কোটি ৫ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬৯ জন কৃষককে কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড দিয়েছে। শেখ হাসিনা সরকার কৃষককে মাত্র ১০ টাকায় ব্যাংক হিসাব খোলার সুযোগ করে দেওয়ায় ১ কোটি ০৭ লাখ ৩৬ হাজার ৬৩৫টি ব্যাংক হিসেব খোলা সম্ভব হয়েছে। ২০০৮-০৯ অর্থবছর থেকে এ পর্যন্ত বিআরআরআই ধানের ৫৫টি জাত, বিএআরআই বিভিন্ন ফসলের ২৫৮টি জাত, বিজেআরআই পাটের ১৫টি জাত, বিএসআরআই ইক্ষুর ৯টি জাত ও সুগার বিট, তাল ও স্টেভিয়ার ৪টি, সিডিবি তুলার ১০টি জাত এবং বিআইএনএ বিভিন্ন ফসলের ৬৮টি জাত উদ্ভাবন করেছে।
জিএমও প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিটি বেগুনের ৪টি জাত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ করা হয়েছে এবং বিটি তুলার জাত উদ্ভাবনের কাজ চলমান রয়েছে। দেশি ও তোষা পাটের জীবন রহস্য আবিস্কার এবং পাটসহ ৫শর বেশি উদ্ভিদ বা ফসলের ক্ষতিকর একটি ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচন করা হয়েছে। এ যাবত ৫৪টি পাট ও পাট জাতীয় আঁশ ফসলের উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন ও উন্মোচন করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর